শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯


ডিএনসিসি’তে দুদকের হানা





অনলাইন ডেস্কঃ

মশা মারার ওষুধ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) অভিযান চালিয়ে চার বছরের তথ্য সংগ্রহ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য।

জানা যায়, মশা মারার ওষুধ কেনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) দুর্নীতি করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ৪ বছরে প্রতিষ্ঠানটি কী পরিমাণ ওষুধ কোন দেশ থেকে, কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কিনেছে তা পর্যালোচনা করে দেখা হবে। এ জন্য এ-সংক্রান্ত সব তথ্য ও নথি চেয়ে নিয়েছে দুদক।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, দেশব্যাপী ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এডিস মশা ও ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব। এমন পরিস্থিতিতে দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) অভিযোগ আসে, সিটি করপোরেশনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র মশা নিধনের ওষুধ আমদানিতে সিন্ডিকেট করে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অকার্যকর ঔষধ আমদানি করেছে। এরপর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।

দুদকের এই কর্মকর্তা আরো জানান, বিগত বছরগুলোতে রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কেবলমাত্র কিউলেক্স মশা নিধনের পরীক্ষা সম্পন্ন করে কীটনাশক পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণপূর্বক ঔষধ আমদানি করা হয়েছে। দুদক টিম ২০১৯-২০ অর্থবছরে মশা নিধনের ওষুধ ক্রয়ের জন্য এডিস মশার ওপর পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেছেন।

এদিকে ক্রয় প্রক্রিয়া অনুসন্ধানে দুদক টিম দেখতে পায়, গত চার বছর যাবৎ ‘দ্য লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান থেকেই এককভাবে ইনসেক্টিসাইড সরবরাহ করা হয়েছিল। জানুয়ারি, ২০১৯-এ ‘নিকোন লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানকে ওষধ বিক্রয়ের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। দুদক টিম ২০১৫-২০১৯ সালের কার্যাদেশ প্রদান সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করে এবং এ ক্রয় প্রক্রিয়ায় কোনো দুর্নীতি হয়েছে কি না তা বিশ্লেষণপূর্বক পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে বলে জানা গেছে।



প্রকাশক ও সম্পাদক : শাহিন রহমান

অফিস : ১১৪ নাখালপাড়া, ঢাকা-১২১৫
Email : prothomshomoy@gmail.com