বুধবার , ২১ অগাস্ট ২০১৯


ছাত্র আন্দোলনে সহিংসতা-উস্কানির দায়ে ৫১ মামলা





অনলাইন ডেস্ক : সড়ক দুর্ঘটনায় রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার পর নিরাপদের সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সহিংসতা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৫১টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় বুধবার সকাল পর্যন্ত মোট ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দণ্ডবিধি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মোট ৪৩ মামলায় ৮১ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ডিএমপি জানায়, আন্দোলনে সহিংসতা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির ঘটনায় রমনা বিভাগে মোট ১৪টি মামলা করা হয় এবং মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয় ১০টি। ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ২০ জনকে। পাশাপাশি ৮৪ জনকে আসামি করে করা ৪টি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ১১ জনকে। ১৪টি মামলার মধ্যে ১৩টির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং একটি মামলা তদন্ত করছে গোয়েন্দা বিভাগ।

ওয়ারী বিভাগে মামলা হয়েছে ২টি। অজ্ঞাতনামা ৩৫০-৪৫০ জনকে আসামি করে করা ২ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। লালবাগ বিভাগে একজনসহ অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে ১টি মামলা করা হয়। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মতিঝিল বিভাগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ৬টি মামলা করা হয়েছে। ৬টি মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তেজগাঁও বিভাগে ৬ জনকে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন এজাহারনামীয়সহ সন্দেহভাজন আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মিরপুর বিভাগের মিরপুর মডেল থানায় বিইউবিটি ইউনিভার্সিটি ও কমার্স কলেজসহ অন্যান্য কলেজের অজ্ঞাতনামা ৫০০-৬০০ ছাত্র এবং শিক্ষককে আসামি করে ১টি মামলা, অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করে কাফরুল থানায় ১টি মামলা এবং ৯৬ জনকে আসামি করে আরও ৩টিসহ মোট ৫টি মামলা করা হয়েছে।

গুলশান বিভাগে অজ্ঞাতনামা ২০০০-২৫০০ জনকে আসামি করে ৭টি মামলা এবং ৩১ জনকে আসামি করে আরও ২টি মামলাসহ মোট ৯টি মামলা করা হয়েছে। ৯টি মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উত্তরা বিভাগে অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করে ৩টি মামলা এবং ১১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলাসহ মোট ৪টি মামলা করা হয়েছে। মামলায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এছাড়াও তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে ২৯ জনকে আসামি করে দায়ের করা মোট ৮টি মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৮টি মামলার মধ্যে ৪টি মামলা ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ, একটি ডিবি পুলিশ এবং একটি থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে বিভিন্নভাবে গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।



প্রকাশক ও সম্পাদক : শাহিন রহমান

অফিস : ১১৪ নাখালপাড়া, ঢাকা-১২১৫
Email : prothomshomoy@gmail.com