বুধবার , ১৪ নভেম্বর ২০১৮


মেরামত হচ্ছে ওজন স্তর!





অনলাইন ডেস্ক : ওজন স্তর আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। তবে এই ওজন স্তরের ক্ষতি প্রথম চোখে পড়ে ১৯৮০ সালে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে ওজন স্তর।

বিশেষজ্ঞরা জানান, উত্তর গোলার্ধের অংশটি পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হবে ২০৩০ সালের মধ্যে। আর অ্যান্টার্কটিকার অংশে সময় লাগবে ২০৬০ পর্যন্ত। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে চুক্তিগুলোর অর্জন থেকেই এই উদাহরণ তৈরি হয়েছে।

ওজন স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মূলত মানুষ সৃষ্টি রাসায়নিক ক্লোরোফ্লোরো-কার্বন-এর কারণে। যার সংক্ষিপ্ত নাম সিএফসি। ওজন স্তরের ক্ষতির ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে প্রবেশ করে। যার ফলে হতে পারে ত্বকের ক্যান্সার, চোখের সমস্যা বা ফসলের ক্ষতি। এই সিএফসি থাকে বিভিন্ন ধরণের স্প্রে ক্যানে, ফ্রিজ এবং এয়ার কন্ডিশনারে।

কেমন ছিল ওজন স্তর?

১৯৯০ এর দশকের শেষ দিকে এটি ছিল সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। উপরের ওজন স্তরের অনন্ত ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। তবে, জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ২০০০ সাল থেকে প্রতি দশকে ৩% হারে এটি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিভাবে পরিবর্তন এলো?

মন্ট্রিল প্রোটোকলের আওতায় ১৮০টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী দেশগুলো সিএফসি-র মতো রাসায়নিক উৎপাদন কমাতে সম্মত হয়।

তবে এখনো পুরোপুরি সাফল্য আসেনি, বলছেন ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোর বিশেষজ্ঞ বায়ার্ন টুন। তার মতে, আমরা নির্দিষ্ট কিছু অংশ খুঁজে পেয়েছি যেখানে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শুরু হয়েছে। তিনি দেখান যে, এখনো কিছু অংশ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শুরু করেনি।

তার মতে ক্লোরিন-যুক্ত রাসায়নিকের নির্গমন যদি বৃদ্ধি পায়, তবে তা ওজন স্তরের নিরাময়কে কমাতে পারে। বিশেষ করে চীনে ক্লোরিন-যুক্ত পণ্য উৎপাদন হয়। আর এখানে এগুলোর নিয়ন্ত্রণের মাত্রাও অনেক কম।



প্রকাশক ও সম্পাদক : শাহিন রহমান

অফিস : ১১৪ নাখালপাড়া, ঢাকা-১২১৫
Email : prothomshomoy@gmail.com